পত্রিকা: 'প্রতিরক্ষা ক্রয়ে বিশেষ মনোযোগ'

সমকালের প্রধান শিরোনাম— প্রতিরক্ষা ক্রয়ে বিশেষ মনোযোগ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার, জুলাই হত্যার বিচার ও নির্বাচন— এই তিন গুরুদায়িত্ব পালনের ঘোষণা দিলেও গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিরক্ষা খাতের কেনাকাটায় বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে।
যার মধ্যে ভূরাজনৈতিকভাবে কৌশলগত নানা সমঝোতা, চুক্তি এবং আলোচনা উল্লেখযোগ্য।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাকিস্তান থেকে ১২টি জেএফ-১৭ ব্লক থ্রি যুদ্ধবিমান, চীন থেকে ২০টি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান, ইউরোপের কয়েকটি দেশের তৈরি ১০টি ইউরো ফাইটার টাইফুন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট দুই আসনের ছয়টি অ্যাটাক হেলিকপ্টার, তুরস্ক অথবা তার মনোনীত কোনো সংস্থা থেকে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ খালিদ বিন ওয়ালিদের উন্নয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক হেলিকপ্টার ও বিমান কেনা নিয়ে আলোচনা করেছে, আগ্রহ দেখিয়েছে বা আগ্রহপত্র সই করেছে।
সর্বশেষ সামরিক ড্রোন নির্মাণে চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
বাংলাদেশ ফোর্সেস গোল ২০৩০-এ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা আছে।
তবে এর সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক ঘরানা নির্ধারণের মতো বিষয় সবসময় সম্পৃক্ত। ফলে ধাপে ধাপে এসব সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বাস্তবায়নের কথা।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের বহুমুখী ক্রয় উদ্যোগ আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ। বড় অঙ্কের ব্যয়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়- সবকিছুই সতর্কভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

প্রচারে আক্রমণ ছেড়ে প্রতিশ্রুতিতে জোর— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী প্রচারণা একটি সপ্তাহ পেরোতেই মাঠের রাজনীতির কৌশলগত রূপান্তর চোখে পড়ছে। একে অন্যকে তিক্ত দোষারোপ করা ও খুঁত খোঁজার কৌশল থেকে সরে এসে দলগুলোর মনোযোগ দৃশ্যত এবার ভোটারদের মন জয়ে।
ভোটের লড়াইয়ে সক্রিয় দুই প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী উভয়ের প্রচারণায় তা স্পষ্ট।
দল দুটি এখন ভোটারদের সামনে তুলে ধরছে নানা প্রতিশ্রুতি, যার কেন্দ্রে রয়েছে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ।
যদিও ভোটের প্রচারের শুরুতে একে অন্যের বিরুদ্ধে অতীতে নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলার পাশাপাশি জোরেশোরে টেনে আনেন ধর্ম বিষয়টিকেও।
এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সচেতন মহল সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সেই জায়গা থেকে বের হলেন নেতারা।
দুটি প্রধান জোটের নেতৃত্বে থাকা বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রধানের বক্তৃতায় এখন পারস্পরিক আক্রমণের বদলে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে আগামী সরকার তথা রাষ্ট্র নিয়ে তাদের পরিকল্পনা।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান সংবাদ— Tarique calls for 'yes' vote in referendum; অর্থাৎ গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে রায় দিতে তারেকের আহ্বান।
খবরটিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে রায় দিতে বলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
গতকাল শুক্রবার রংপুরে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্যে গণভোটের বিষয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে তিনি 'হ্যাঁ' এর পক্ষে ভোট চাইলেন।
বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেন, 'আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করছি— ১২ তারিখে যেমন আপনারা ধানে��� শীষে সিল দেবেন, ঠিক তেমনি দ্বিতীয় ব্যালট পেপারটিতে দয়া করে হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দেবেন।'
ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক অধিকারের জন্য হাজারো মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন। এসব আত্মত্যাগকে যথাযথভাবে সম্মান জানাতে হলে আমাদের অবশ্যই জুলাই সনদকেও সম্মান করতে হবে, যেটিতে আমরা স্বাক্ষর করেছি— যোগ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাঁদাবাজি বন্ধের অঙ্গীকার— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে এনসিপি।
এতে ১৬ বছর বয়সে ভোটাধিকার, আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, ব্যবসার রাজনৈতিক ব্যয় শূন্যে নামাতে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, এককালীন তহবিল দিয়ে মেধাবীদের দেশে ফেরানোর মতো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।
ইশতেহারে মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ বন্ধ, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত, স্কুলভিত্তিক আর্থিক শিক্ষা চালু এবং কর ফাঁকি রোধের মাধ্যমে জিডিপি অনুপাত ১২ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।
নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন এবং এসএমই খাতে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে।
দুর্নীতি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ জনপ্রতিনিধি এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের আয়-সম্পদ, সরকারি ব্যয় ও বরাদ্দের বিস্তারিত তথ্য 'হিসাব দাও' নামে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ ও নিয়মিত হালনাগাদ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এনসিপি।
স্বাস্থ্য খাতে এনআইডিভিত্তিক ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড চালু, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গঠন, জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা বাস্তবায়ন এবং দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা জোন গঠনের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— আড়ালেই থাকল আমলাতন্ত্রের 'নেকেড অফিশিয়াল'।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিদেশে যেসব বাংলাদেশি বড় অঙ্কের সম্পদ গড়েছেন তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই সরকারি আমলা বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি বাইরের দেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় আসে।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমলাদের স্ত্রীরা বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করছেন এবং সন্তানরা সেখানেই পড়াশোনা করছে। আবার নিজের পাসপোর্টেও দীর্ঘমেয়াদি ভিসা লাগানো রয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের স্ত্রী ও সন্তান দেশের বাইরে থাকেন, তাদেরই মূলত 'নেকেড অফিশিয়াল' হিসেবে গণ্য করা হয়।
এ ধরনের প্রবণতা দুর্নীতির জন্য বেশ সহায়ক।
বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার চাইলে চীনের 'নেকেড অফিশিয়াল' নীতির আদলে একটি কাঠামো গ্রহণ করতে পারত। এ ধরনের নীতির আওতায় উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে অবস্থানরত পরিবার, সম্পদ ও আর্থিক স্বার্থের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রকাশের ব্যবস্থা রাখা যেত।
একই সঙ্গে যেসব পদকে ঝুঁকিপূর্ণ বা স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেখানে বিদেশে পরিবার বা সম্পদ থাকা কর্মকর্তাদের নিয়োগে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা সম্ভব হতো।
এছাড়া, অনিয়ম বা স্বার্থসংঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেলে পদাবনতি কিংবা পদচ্যুতির মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও কার্যকর করা যেত।
এতে আমলাতন্ত্রের ভেতরে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতো।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Political violence grows as polls nearing; নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে রাজনৈতিক সহিংসতা তত বাড়ছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, দেশজুড়ে রাজনৈতিক সহিংসতা ততই বেড়ে চলছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসের ১ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৫টি রাজনৈতিক সংহিসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং ৫৫৫ জন আহত হয়েছে।
আর ২১ থেকে ২৮ জানুয়ারি, এই সাত দিনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কমপক্ষে ৪২টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছে, আর আহত হয়েছে অন্তত ৩৫৩ জন।
এমনকি, নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করাকে কেন্দ্র করেও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।
এদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুসারে, তফসিল ঘোষণার পর কমপক্ষে ২০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে চারটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রয়েছে।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর— শতাধিক কিলার নজরদারিতে।
এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে গুপ্তহত্যা ও টার্গেট কিলিংয়ের শঙ্কা করছেন গোয়েন্দারা। তাই সারাদেশের পেশাদার কিলার-শুটারদের তালিকা করা হয়েছে।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোয়েন্দাদের করা তালিকা পুলিশ সদর দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
তালিকায় থাকা এ সব অপরাধীকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত ও গতিবিধি মনিটরিং করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ঢাকার ২০টি আসনে পুলিশ ও গোয়েন্দারা কাজ করে যাচ্ছেন।
আর ঢাকার বাইরে জেলা পুলিশও সংশ্লিষ্ট এলাকার অপরাধীদের নজরদারিতে রেখেছেন।
পেশাদার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছাড়াও মাঝারি ও ছোট সারির সন্ত্রাসীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কারণ, তারা যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে কোনো প্রার্থী বা দলের হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।
বিশেষ করে ফরিদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
হেভিওয়েট প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, এমন কিছু জেলাতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেয়া হয়েছে।
এছাড়া, যেসব এলাকায় আগের নির্বাচনগুলোতে সহিংসতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে সেগুলোকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

সংস্কারের উদ্যোগে বাধা 'ডিপ স্টেট'— প্রথম আলোর শেষের পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, ভোটের আগেই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা দরকার মনে করেন দেশের ৫১ শতাংশ মানুষ।
কিন্তু গত দেড় বছরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও 'ডিপ স্টেট' ও আমলাতন্ত্রের প্রতিরোধের মুখে পিছিয়ে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আসন্ন নির্বাচনের পর আমলাতন্ত্র তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংস্কারের প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে পারে।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনীতি, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের একটি অংশে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
জরিপে দেখা যাচ্ছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করতেন, দেশ রাজনৈতিকভাবে সঠিক পথে আছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এমন মনে করেন ৪২ শতাংশ মানুষ।
আর ২০২৪ সালের অগাস্টে ৬০ শতাংশ মানুষ মনে করতেন, দেশ অর্থনৈতিকভাবে সঠিক পথে আছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা মনে করেন ৪৫ শতাংশ মানুষ।
অন্তর্বর্তী সরকারকে 'দুর্বল শক্তির ভারসাম্য (ইকোলিব্রিয়াম অব দ্য উইক)' হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে বিআইজিডির প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনের ভাষ্য, প্রধান উপদেষ্টা একেক সময় একেক দিকে তার মত পরিবর্তন করেছেন।
এতে এ-ও বলা হয়েছে, সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার বিএনপির বিরোধিতা সামলাতে পারলেও আমলাতন্ত্রের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে সংস্কারের ক্ষেত্রে পিছু হটেছে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি খবর— জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি, গণভোটে 'হ্যাঁ' এগিয়ে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, 'ইনোভেশন কনসালটিং' নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জরিপে উঠে এসেছে, দেশের ৪৭ শতাংশের বেশি মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রেখেছেন।
আর ৬০ শতাংশ মানুষ 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে মতামত দিয়েছে। তারা দেশে পরিবর্তন দেখতে চান।
চলতি জানুয়ারি মাসের ১৬ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ৫ হাজার ১৪৭টি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই জরিপের প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে।
জরিপের ফলাফ অনুযায়ী, ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন।
২২ দশমিক ২ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী কে, তা তারা বলতে পারছেন না।
এলাকাভিত্তিক সম্ভাব্য বিজয়ী প্রসঙ্গে জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামীকাল নির্বাচন হলে নিজেদের এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিততে পারেন, এই প্রশ্নে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপি প্রার্থীর নাম বলেছেন।
এছাড়া, আওয়ামী লীগ ভোটারদের ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ বিএনপিকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
আর ১৩ দশমিক ২ শতাংশ জামায়াতকে ভোট দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন। ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে।









